পোস্টগুলি

স্বামীকে আদর করার উপায়: সুখী দাম্পত্য ও যৌন জীবনের জন্য কিছু পরামর্শ

স্বামীকে আদর করার উপায়: সুখী দাম্পত্য ও যৌন জীবনের জন্য কিছু পরামর্শ একটি সফল ও সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য শারীরিক ও মানসিক ঘনিষ্ঠতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র স্বামীর উপর নির্ভর না করে স্ত্রীকেও উদ্যোগী হতে হবে, স্বামীর আবেগ বুঝতে হবে এবং সম্পর্ককে আরও গভীর ও উপভোগ্য করে তুলতে হবে। নিচে কিছু কার্যকরী পরামর্শ দেওয়া হলো— ১. স্বামীর জন্য সাজগোজ করুন ও মেজাজ বুঝতে চেষ্টা করুন স্বামীকে খুশি করতে তার পছন্দ অনুযায়ী নিজেকে সাজান, পরিপাটি থাকুন এবং তার মেজাজ বুঝে কথাবার্তা বলুন। ২. স্বামীকে চমকে দিন মাঝে মাঝে খোলামেলা বা আকর্ষণীয় পোশাক পরুন এবং নিজের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তুলুন। এটি স্বামীকে আপনাকে নতুনভাবে দেখতে ও উপভোগ করতে সাহায্য করবে। ৩. বিছানায় লাজুকতা ঝেড়ে ফেলুন নারীর লাজুকতা আকর্ষণীয় হলেও মিলনের সময় উষ্ণতা ও রোমান্টিকতা প্রকাশ করা দরকার। মাঝে মাঝে উত্তেজনাপূর্ণ কথা বলুন, আবেগ প্রকাশ করুন, যা স্বামীর যৌন আকাঙ্ক্ষা ও উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে। ৪. স্বামীকে উত্তেজিত করুন শারীরিক সম্পর্ক শুরু করার আগে স্বামীকে আদর করুন, তার সংবেদনশীল জায়গাগুলো স্পর্শ করুন। এতে স্বামীর উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী...

মাথাব্যথা দূর করার ৫টি ঘরোয়া উপায় |

মাথাব্যথা দূর করার ৫টি ঘরোয়া উপায় মাথাব্যথা এমন এক সমস্যা যা প্রায় সবার সঙ্গেই ঘটে। তীব্র অস্বস্তি তো থাকেই, এই সমস্যার কারণে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত করতে পারে। মাইগ্রেনের মতো একতরফা মাথাব্যথা থেকে স্ট্রেসের কারণেও হতে পারে। এর চিকিৎসার জন্য মাথাব্যথার পেছনে অন্তর্নিহিত কারণ খুঁজে বের করা গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ রক্তচাপ বা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও হতে পারে এই ব্যথার কারণ। মানসিক চাপ, সঠিক খাবার না খাওয়া, ঠিকভাবে না ঘুমানো, ডিহাইড্রেশন ইত্যাদিও হতে পারে মাথাব্যথার কারণ। মাথাব্যথা থেকে বাঁচতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে, স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে এবং পর্যাপ্ত ঘুম পেতে হবে। ঘুমের অভাব এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণে আরও অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যায় ভুগলে সুস্থ হওয়ার জন্য ঘরোয়া কিছু উপায় মেনে চলতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. ঘুম আপনার মাথাব্যথা সম্ভবত ঘুমের অভাবের কারণে হতে পারে। রাতে ভালো ঘুম সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের অভাব মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে আপনাকে ক্লান্ত এবং অস্থির করে তুলতে পারে। যে কারণে কাজ করার শক্তি এবং মনোযোগ কমে যায়। মাথাব্যথা উপশম...

আদাজল নাকি মেথিজল—ভুঁড়ি কমাতে কোনটি বেশি কার্যকর। আদা ও মেথি পানি খাওয়ার উপকারিতা।

আদাজল নাকি মেথিজল—ভুঁড়ি কমাতে কোনটি বেশি কার্যকর আদাজল ও মেথিজল, দুটিতেই আছে এমন কিছু যৌগ ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট উপাদান, যা পেটের চর্বি বা ভুঁড়ি কমায়। তবে এর মধ্যে কোনটি তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর? ভুঁড়ি কমাতে আদাজলের ভূমিকা ভুঁড়ি কমাতে চাইলে সকাল সকাল আদাজল পান করা ভালো। আদাজল ক্ষুধা নিবারণ ও ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখে। এর ডাইইউরেটিক বা মূত্রবর্ধক গুণও আছে। মূত্রবর্ধক হওয়ায় আদাজল পান করলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশিত হয়ে শরীরের ফোলাভাব কমে। নিয়মিত আদাজল খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা অটুট থাকে, ডায়াবেটিস থাকে নিয়ন্ত্রণে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও আদাজলের সুনাম আছে। কোষ্টকাঠিন্য এবং শরীরের ফোলাভাব কমাতে আদার ব্যবহার বহু পুরোনো। আদায় এমন কিছু অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট উপাদান আছে, যেসব কোষ ধ্বংসকারী ফ্রি-র‌্যাডিকেলগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ঠান্ডা, কাশি, জ্বর থেকে বাড়তি মেদ কমাতে তাই আদা বেশ কার্যকর নিঃসন্দেহে। ক্যালরি পোড়ায় গবেষণা বলছে, নিয়মিত আদাজল খেলে ক্যালরির দহন ও তৃপ্তির অনুভূতি বাড়ে। ফলে ক্ষুধা দূর হয়। আদার থার্মোজেনিক গুণ চর্বি কমা...

লেবু–পানি কখন খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন ! লেবু পানি খাওয়ার উপকারিতা।

লেবু–পানি কখন খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন স্বাস্থ্যসচেতনদের পছন্দের পানীয় হিসেবে বরাবরই জনপ্রিয় লেবু–পানি। দিনের শুরু থেকে শুরু করে খাওয়ার আগে-পরে, এক গ্লাস লেবু–পানি খাওয়া অনেকেরই রোজকার রুটিনের অংশ। যেকোনো সময় লেবু–পানি খেলেই যে সমান উপকারিতা মেলে, ব্যাপারটা এমন নয়। বরং সময়ভেদে বদলে যায় লেবু–পানির উপকারিতা। আবার উপকারিতার ওপর ভিত্তি করে আপনিও বদলে নিতে পারেন লেবু–পানি খাওয়ার সময়। একনজরে দেখে নিন কখন লেবু–পানি খেলে কেমন উপকার পেতে পারে আপনার শরীর। যেকোনো সময় লেবু–পানি খেলেই যে সমান উপকারিতা মেলে, ব্যাপারটা এমন নয় খাওয়ার আগে লেবু–পানি খেলে যা হয় খাওয়ার ঠিক আগে এক গ্লাস লেবু–পানি খেলে তা ক্ষুধা বাগে আনে। লেবু–পানিতে অম্লতা বেশি, যা খাবার হজমের জন্য পেটকে প্রস্তুত করে। এতে খাবারের পুষ্টিগুণ সহজে শোষিত হয়। এ ছাড়া খাওয়ার আগে এক গ্লাস লেবু–পানি খেলে তা ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে। এতে খাওয়ার সময় অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের হার কমায়। খাওয়ার পরে লেবু–পানি খেলে যা হয় লেবুতে আছে প্রচুর সাইট্রিক অ্যাসিড, যা পাকস্থলীতে গিয়ে হজমে সাহায্য করে। ভারী খাবার খাওয়ার পর লেবু–পানি খেলে হজমের কাজটা সহজ হয়। ভার...

এমপক্স বা মাঙ্কিপক্স ! লক্ষণ ও উপসর্গ ! Monky Pox

এমপক্স বা মাঙ্কিপক্স ! লক্ষণ ও উপসর্গ... বর্তমানে বিশ্বব্যাপী আতঙ্কের নাম এমপক্স বা মাঙ্কিপক্স। করোনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরেকটি মহামারীর আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ভাইরাসটির সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আমাদের দেশেও সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনী চ্যানেলে সার্বক্ষণিক একটি চিকিৎসক দল নিয়োজিত রয়েছে। এমপক্স কী: এমপক্স হলো প্রাণীবাহিত ভাইরাসজনিত সংক্রামক ব্যাধি। ১৯৫৮ সালে কঙ্গোয় বানরের দেহে এ ভাইরাস প্রথমবার শনাক্ত হয়, তাই এমন নামকরণ। তবে শুধু বানর নয়, ভাইরাসটি ছড়াতে পারে ইঁদুর, বন্য কুকুর, কাঠবিড়ালি ও খরগোশের শরীর থেকেও। তীব্র জ্বরের মাধ্যমে শরীরে এ ভাইরাসের উপস্থিতি প্রকাশ পেতে শুরু করে। তীব্র ছোঁয়াচে হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির দ্বারা অন্যদের মধ্যেও এ ভাইরাস দ্রুত সংক্রমিত হয়। এমপক্সের লক্ষণ ও উপসর্গ: ভাইরাস সংক্রমণের পর সাধারণত ৩ থেকে ১৭ দিনের মধ্যেই লক্ষণগুলো দেখা দিতে শুরু করে। লক্ষণগুলো হলো— • জ্বর ও মাথাব্যথা • ত্বকে পানিভর্তি ফোসকা • ফোসকায় ব্যথা ও চুলকানি • মাংসপেশিত...

পর্নোগ্রাফির আসক্ত ব‍্যক্তি সম্পর্কে কিছু তত্ত এবং এর থেকে মুক্তির উপায়।

পর্ন- নীরব মহামারি, নির্দোষ আনন্দ, নীল অন্ধকার। পর্ন এবং পর্ন আসক্ত ব্যক্তির সম্পর্কে ভয়ঙ্কর কিছু তথ্য: ১) পর্ন একটা মুভি মাত্র। এখানে অভিনয়-ই হচ্ছে। ১০ মিনিটের একটা ভিডিও ১০ দিন শ্যুট করা হয়। তারপর ইডিট করা হয়। সবকিছুই ফেইক। এক্সপ্রেশনটাও ফেইক। ২) পর্নের নারীর শরীর সম্পূর্ণ আর্টিফিশিয়াল। পুরো শরীর সার্জারি করে ফুলানো হয় বিশেষ অঙ্গগুলি। অপরদিকে বাস্তব জীবনে একজন নারী পড়াশুনা করে, চাকরি করে, সংসার করে, ছেলে-মেয়ের দেখা শুনা করে, কত হাজার দায়িত্ব পালন করে। একজন সাধারণ নারীর পক্ষে সার্জারি করে তার শরীরের অঙ্গগুলি পরিবর্তন করা সম্ভব?কখনই নাহ। তাছাড়া এটাতে হিউজ রিস্ক থাকে। ক্যান্সারের প্রবল সম্ভাবনা থাকে। তাই যখন একজন পর্ন আসক্ত দেখে তার বউয়ের শরীর পর্নের নারীর শরীরের মতো নাহ, তখন আর বউকে ভালো লাগে নাহ। পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে, পতিতালয়ে যেতেও দ্বিধাবোধ করে নাহ। অথচ সে জানেই না পর্নের নারীর শরীর সার্জারি করা ফেইক একটা বডি। ৩)যখন একজন পর্ন আসক্ত ব্যক্তি তার বউয়ের শরীর পর্নের নারীর আর্টিফিশিয়াল & সার্জিকাল শরীরের সাথে তুলনা করে, তখন ঐ নারীর মন ভেঙ্গে যায়। ৪) পর্ন ইন্ডাস্ট্রির মেয়েদের ...

কেন খাবেন ডিম। ডিমে কি কি পুষ্টি উপাদান থাকে।

কেন খাবেন ডিম ডিম পুষ্টি উপাদানে ভরপুর একটি প্রাকৃতিক খাদ্য। একে প্রোটিন এবং পুষ্টি উপাদানের পাওয়ার হাউসও বলা হয়ে থাকে। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সব বয়সের জন্য ডিম একটি অত্যন্ত উপাদেয় খাদ্য। বলা হয়ে থাকে, ‘যদি সুস্থ থাকতে চান, প্রতিদিন একটি করে ডিম খান’। একটি বড় ডিমের ওজন প্রায় ৫০ গ্রাম হয়ে থাকে । একটি সেদ্ধ ডিম থেকে যেসব পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় এবং শরীরে তাদের কাজ নিয়ে আলোচনা করা হলো: #ক্যালরি: একটি ডিম থেকে সাধারণত ৭৭ ক্যালরি পাওয়া যায়। ডিম দীর্ঘ সময় শক্তি জোগায় এবং ক্ষুধা কমায়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য ডায়েটে ডিম রাখা জরুরি। সকালের নাশতায় একটি ডিম সারা দিনের পুষ্টি চাহিদা অনেকটুকুই পূরণ করতে সহায়তা করে। #প্রোটিন: একটি ডিম থেকে প্রায় ৬.৩ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন পাওয়া যায়। ডিমের প্রোটিন শরীরে খুব সহজে শোষিত হয়। শরীরের গঠন ও ক্ষয়পূরণের জন্য প্রোটিন অত্যাবশ্যকীয়। এ ছাড়া প্রোটিন বিভিন্ন অঙ্গ, ত্বক, চুল এবং শরীরের বিভিন্ন টিস্যু পুনর্গঠনে সহায়তা করে। #আয়রন: ডিম থেকে যে আয়রন পাওয়া যায়, তা শরীরে খুব সহজে শোষিত হয়। এই আয়রন শরীরের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে...

করোনাভাইরাস বা কোবিড ১৯ নিয়ে এত দিনে যা জেনেছেন বিশ্বের বিজ্ঞানীরা। Corona virus or Covid-19 Update Information

করোনাভাইরাস নিয়ে এত দিনে যা জেনেছেন বিশ্বের বিজ্ঞানীরা দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্ব যখন করোনা মহামারির কবলে পড়ে ধুঁকছে, বিজ্ঞানীরাই তখন আশার আলো দেখাচ্ছেন। তাঁদের সাফল্যের দিকে তাকিয়ে আছে বিশ্ব। করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ নিয়ে আমরা যা জানি, তার সবকিছুই গবেষণা করে দেখছেন তাঁরা। নতুন এ করোনাভাইরাসের উৎপত্তির ৫ মাস পার হয়ে গেল। কতটুকু জানতে পারলেন তারা? তাঁরা যতটুকু জানতে পেরেছেন, তা এ মহামারি ঠেকাতে যথেষ্ট তো? ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এসব প্রশ্নের উত্তর তুলে ধরা হয়েছে। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন করোনাভাইরাস মানুষের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করেছে। সার্স ও মার্স ভাইরাসও এই গোত্রের ছিল। সার্স ও মার্স—এ দুটি ভাইরাসের সঙ্গে সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটি খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত। তবে তাদের প্রভাব মহামারি সৃষ্টিকারী কোভিড-১৯–এর তুলনায় অনেক কম ছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে বিশ্বের অনেক দেশে লকডাউন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে ভাইরাসটি। জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় মোট মারা গেছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ১৮৫ জন। আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের সংখ্যা ১৮ লাখ...

করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া। কীভাবে শনাক্ত করা হয় করোনাভাইরাস আছে কি নেই।

কীভাবে শনাক্ত করা হয় করোনাভাইরাস আছে কি নেই কীভাবে শনাক্ত করা হয় করোনাভাইরাস আছে কি নেই কোভিড-১৯ নামক মহামারির বদৌলতে আজ বিশ্বজুড়ে সবাই একনামে চেনে করোনাভাইরাসকে। সাধারণ সর্দি-জ্বর-কাশি দিয়ে শুরু হলেও ভাইরাসটি ফুসফুসে গিয়ে ভয়ংকর মাত্রার নিউমোনিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ফলস্বরূপ, আজ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুর প্রহর গুনছে। বলা হচ্ছে, মানুষের সঙ্গে মানুষের মেলামেশা কমালে এই সংক্রমণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। সেই লক্ষ্যেই পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশের মানুষ আজ ঘরে থেকে কাজ করছে, একজন আরেকজনকে স্পর্শ করতেও ভয় পাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী এর পরের গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি হলো—যত বেশি সম্ভব নমুনা পরীক্ষা করে যাদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ আছে, তাদের খুঁজে বের করা। ভাইরাসটি দেহের মধ্যে আছে কিনা জানা থাকলে ওই মানুষটিকে কিছুদিন আলাদা করে রাখতে হবে। এতে তার থেকে আর ভাইরাসটি অন্য কারও দেহে ছড়াতে পারবে না। বাংলাদেশে এরই মধ্যে ভাইরাসটি অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় এখন আমাদের করণীয় হচ্ছে পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাস বহনকারীদের শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনমতো তাদের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসার ব্য...

করোনাভাইরাসের জন্ম আসলে কোথায়? করোনা ভাইরাস ও এর উৎপত্তি।

করোনাভাইরাসের জন্ম আসলে কোথায় চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের একটি সামরিক গবেষণাগারে করোনাভাইরাস তৈরি করা হয়েছে। এরপর সেখান থেকে ভুল করে ভাইরাসটি বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। চীন এই জৈবাস্ত্র তৈরি করেছে বিশ্ববাণিজ্য দখলে নিতে ও দুনিয়াজুড়ে নিজের কর্তৃত্ব বাড়াতে। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর এ অভিযোগ ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ রকম অভিযোগ প্রথম করেন ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক এক কর্মকর্তা। এরপর সেই তালিকায় যুক্ত হন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। সারা দুনিয়াতেই মানুষ গুজবে একটু বেশিই আস্থা রাখে। রীতিমতো এসব নিয়ে চর্চাও হয়। কন্সপিরেসি থিওরি বা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নামে এ চিন্তা ও তৎপরতার চর্চা সারা দুনিয়াতে চলে। গত শতাব্দীতে মানুষের সব থেকে বড় অর্জনগুলোর একটি চন্দ্রবিজয় নিয়েও এ রকম হয়েছিল। ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রাখেন মার্কিন নভোচারী নিল আর্মস্ট্রং। চন্দ্রজয়ের ৫০ বছর পরও অনেক মানুষ বিশ্বাস করেন, মানুষ চাঁদে কখনো নামেনি। তৎকালীন কমিউনিস্ট শাসিত সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় জিততে যুক্তরাষ্ট্র সারা দুনিয়ার মানুষকে ধোঁকা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মহ...

করোনা ভাইরাস। জেনে নিন করোনার সত্য-মিথ্যা, করণীয়-বর্জনীয়।

জেনে নিন করোনার সত্য-মিথ্যা, করণীয়-বর্জনীয়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এই সুযোগে অনেক ভুল তথ্যও ছড়াচ্ছে। মনে রাখতে হবে, করোনা প্রতিরোধে সচেতনতাই সবচেয়ে জরুরি। করোনা নিয়ে ছড়ানো ভুল তথ্যগুলোর ক্ষেত্রেও এই কথা প্রযোজ্য। ভাইরাসটি নতুন। এ নিয়ে এখন গবেষণা চলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিডিসি করোনা বিষয়ে কী করবেন, কী করবেন না, তা তুলে ধরেছে। ১. একটু পরপর পানি, লবণ বা ভিনেগার মিশ্রিত পানি বা গরম পানি পান করলে কিংবা গলা ভেজালে অথবা রসুন মুখে রাখলে করোনা গলা থেকে ফুসফুসে যায় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের একটি তথ্য ঘুরছে। এই তথ্যের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ২. গরমে করোনার সংক্রমণ হবে না, এই ধারণাও ভুল। আবহাওয়া ও পরিবেশের তাপমাত্রার সঙ্গে সংক্রমণের কোনো সম্পর্ক নেই। করোনা যেকোনো তাপমাত্রায় সংক্রমণ ঘটাতে পারে। ৩. থার্মাল স্ক্যানার কেবল শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় করে। এর মাধ্যমে করোনার সংক্রমণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না। কাজেই থার্মাল স্ক্যানারে ধরা না পড়লে করোনা হয়নি, এমন মনে করা ঠিক নয়। সাধারণত উপসর্গ দেখা দিতে ২ থেকে ১০ দিন সময় লাগে।...

কোয়ারেন্টিন কী? কোয়ারেন্টিনে কী করবেন, কী করবেন না।।

জানেন কি, কোয়ারেন্টিনে কী করবেন, কী করবেন না কোয়ারেন্টিন মানে সংক্রমণ ঝুঁকি এড়ানোর উদ্দেশ্যে ব্যক্তির চলাফেরাকে সীমাবদ্ধ করা। কোয়ারেন্টিন তাঁদের জন্যই প্রযোজ্য, যাঁরা রোগে আক্রান্ত হননি কিন্তু রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন, রোগের প্রাদুর্ভাবযুক্ত এলাকায় থেকেছেন, অর্থাৎ যাঁরা রোগ ছড়াতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। কথাটা এসেছে ‘কোয়ারান্টাগাইরন’ থেকে, যার অর্থ ফরটি ডে (৪০ দিন)। প্লেগের সময় জাহাজের মাল খালাস করার আগে ৪০ দিন তীরে ভিড়ে থাকতে হতো। সম্প্রতি চীনসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের কারণে কোয়ারেন্টিনের আগে কুষ্ঠ রোগ, পীতজ্বর বা ইয়েলো ফিভার, কলেরার মতো রোগের বিস্তার ঠেকানোর জন্য এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ের ইবোলাও এর একটা উদাহরণ। কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশন এই দুটি বিষয় আমাদের কাছে একই রকম মনে হলেও এর মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। রোগ ছড়ানোর ভয়ে রোগীকে যখন আলাদা রাখা হয়, সেটা প্রোটেক্টিভ সিকোয়েস্ট্রশন (রিভার্স কোয়ারেন্টিন)। আক্রান্ত রোগীকে আলাদা ব্যবস্থায় রেখে চিকিৎসা করাকে বলে আইসোলেশন। 👉👉👉 কত দিন কোয়ারেন্টিনে রাখতে হবে? এটা নির্ভর করবে ওই রোগের ইনকিবেশন পিরিয়ড বা জীবাণু প...

একসঙ্গে দুই ভাইরাস, করোনা ও গুজব

একসঙ্গে দুই ভাইরাস, করোনা ও গুজব করোনাসংক্রান্ত দুটি মহামারি এখন একসঙ্গে চলছে—একটা ভাইরাসের, আরেকটা গুজবের। গোমূত্র পানে করোনা থেকে মুক্তি বা স্বপ্নে করোনার প্রতিষেধক পাওয়ার খবর লাখো–কোটিবার শেয়ার হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘করোনা দ্বারা সৃষ্ট কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসা এ মুহূর্তে আমাদের হাতে নেই, তবু বানোয়াট চিকিৎসার খবরে ফেসবুক ছেয়ে যাচ্ছে।’ ভুয়া খবরে বিভ্রান্ত হয়ে অ্যালকোহল, গরম পানি, ভিনেগার ইত্যাদি গিলে নিজেকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারেন যে কেউ। গুজব ও ভুয়া খবরে আক্রান্ত হচ্ছেন শিক্ষিত-অশিক্ষিতনির্বিশেষে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ। বাংলাদেশে করোনা মোকাবিলা করতে হলে করোনা গুজব মোকাবিলায় আমাদের দক্ষ হতে হবে। সে জন্য গুজব শনাক্তকরণ ও বিচারমূলক চিন্তায় দক্ষতা আমাদের দরকার। গুজব থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য প্রথমত আমাদের মনে রাখতে হবে, কোনো তথ্য ‘বিশ্বাস’ কিংবা ‘অবিশ্বাস’ করা ছাড়াও তৃতীয় আরেকটা বিকল্প আছে, যা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটা হচ্ছে তথ্যকে ‘বিবেচনাধীন’ রাখতে পারা। ইন্টারনেটের কল্যাণে প্রতিদিন আমাদের চোখের সামনে উদয় হচ্ছে বিপুল পরিমাণ তথ্য। কোনো একটা তথ্য বা খবর চোখের সামনে দেখলে আমরা মনে করি এ...

করোনাভাইরাস: কী করবেন, কী করবেন না

ছবি
করোনাভাইরাস: কী করবেন, কী করবেন না,,, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। এই বিশেষ ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে দেশে–বিদেশে উদ্বেগ বাড়ছে। কিন্তু নিজেকে আর নিজের পরিবার, স্বজনদের রক্ষা করতে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনার ভূমিকা কী হওয়া উচিত এ সময়? কীভাবে আপনি পারবেন এই ভাইরাস প্রতিরোধ করতে? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে কিছু উপদেশ দিচ্ছে। আসুন, জেনে নেওয়া যাক। ১. বারবার হাত ধোয়া নিয়মিত এবং ভালো করে বারবার হাত ধোবেন (অন্তত ২০ সেকেন্ড যাবৎ)। কেন? এ কথা প্রমাণিত যে সাবান–পানি দিয়ে ভালো করে হাত ধুলে এই ভাইরাসটি হাত থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। হাতে ময়লা বা নোংরা দেখা না গেলেও বারবার হাত ধুতে পারেন। তবে বিশেষ করে হাত ধোবেন অসুস্থ ব্যক্তির পরিচর্যার পর, হাঁচি–কাশি দেওয়ার পর, খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের আগে, টয়লেট ব্যবহারের পর, পশুপাখির পরিচর্যার পর। ২. দূরে থাকুন এই সময় যেকোনো সর্দি–কাশি, জ্বর বা অসুস্থ ব্যক্তির কাছ থেকে অন্তত এক মিটার বা ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। কেন? আর সব ফ্লুর মতোই এই র...

করোনা ও ডায়াবেটিস। করোনার ঝুঁকি কমাতে ডায়াবেটিস রোগীরা যা করবেন।।

করোনার ঝুঁকি কমাতে ডায়াবেটিস রোগীরা যা করবেন সারা পৃথিবী করোনাভাইরাসের মহামারিতে আক্রান্ত। করোনা সংক্রমণের ৮০ শতাংশই মৃদু বা মাইল্ড ধরনের, যা এমনিতেই সেরে যায়। ১৫ শতাংশ তীব্র বা সিভিয়ার ধরনের হতে পারে, যেখানে অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। আর ৫ শতাংশ ক্রিটিক্যাল, যেখানে ভেন্টিলেটর দরকার হতে পারে, এমনকি রেসপিরেটরি ফেইলিউর হয়ে মৃত্যুও হতে পারে। করোনা সংক্রমণে যাঁরা বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ, তাঁরা হলেন ডায়াবেটিস রোগী, হার্ট ফেইলিউরের রোগী, কিডনি ফেইলিউরের রোগী, হাঁপানি বা ক্রনিক ব্রংকাইটিসের রোগী। এ ছাড়া আছেন যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম, যেমন কেমোথেরাপি নেওয়া রোগী ইত্যাদি। #ডায়াবেটিস রোগীরা কেন ঝুঁকিতে আমাদের দেশে ডায়াবেটিসের রোগীর সংখ্যা অনেক। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিদের অনেকেরই ডায়াবেটিস আছে। তার ওপর আমাদের ডায়াবেটিসের রোগীদের একটি বিরাট অংশের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ডায়াবেটিসের কারণে রোগীদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়। যেকোনো জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করার সক্ষমতা হ্রাস পায়। আবার ডায়াবেটিসের রোগীদের একই সঙ্গে কিডনি জটিলতা, হৃদ্‌রোগ ইত্যাদি থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের বড় ধরনের ঝুঁকি আছে করোনাভাইরাস...

করোনাভাইরাস। গুজব_নাকি_জেনে_নিন।। জেনে নিন কোনটা ভ্রান্ত, কোনটা অভ্রান্ত

#গুজব_নাকি_জেনে_নিন করোনাভাইরাস: জেনে নিন কোনটা ভ্রান্ত, কোনটা অভ্রান্ত নতুন করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও মৃত মানুষের সংখ্যা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়াই স্বাভাবিক। হয়েছেও তাই। মুশকিল হচ্ছে, এই আতঙ্কের সঙ্গে ভাইরাসটি নিয়ে নানা বিভ্রান্তিও ছড়িয়ে পড়ছে। নানা সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে নানা পরামর্শ ও সুরক্ষা কৌশল। এসব অপরীক্ষিত কৌশল ও পরামর্শ যদি সঠিক না হয়, তবে এ থেকেও বিপদ ঘটতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া পরামর্শই অনুসরণ করা উচিত। যেহেতু বিশ্বে করোনাভাইরাসটি মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের নানা সংস্থার নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয়ের কাজটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাই করছে, সেহেতু তাদের দেওয়া তথ্যের ওপরই নির্ভর করাটা মঙ্গলজনক। আসুন, দেখে নেওয়া যাক ভাইরাসটি নিয়ে চারপাশে কী কী বিভ্রান্তি রয়েছে এবং এগুলো সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাই–বা কী বলছে— ১। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়াতেও কোভিড-১৯ ছড়ায় না—ভুল নতুন করোনাভাইর...

ক্ষুদ্রতম জীবাণু, বৃহত্তম মাথা ব্যথা। নতুন মহামারির যুগে স্বাগত। অজানা জীবাণু থেকে মহামারি ঠেকাতে হলে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। করোনা ভাইরাস।।

ছবি
ক্ষুদ্রতম জীবাণু, বৃহত্তম মাথা ব্যথা ...নতুন মহামারির যুগে স্বাগত... পৃথিবীতে জয়পতাকা উড়িয়ে মানুষের চোখ এখন মহাবিশ্বে। তাও তো অনেক দিন হলো। জয় করার স্পৃহা মানুষকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এই জয় করতে গিয়ে সে মাঝেমধ্যেই ভুলে যাচ্ছে, তার ‘একিলিস হিলের’ কথা। সে ভুলে যাচ্ছে, রাজ্য জয় মানে সবকিছু জয় নয়। জয়পতাকা শুধু একটা নিশানই কেবল, যা রক্ষার জন্য সদাসতর্ক থাকার বাধ্যবাধকতাও তৈরি হয়। আর এই ভুলে যাওয়ার পথ ধরেই নতুন নতুন দুর্যোগ নেমে আসে মানুষের পৃথিবীতে। কোনোটি রোগের রূপ নিয়ে, কোনোটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের রূপ নিয়ে। পৃথিবীর মানুষ এখন এমনই এক দুর্যোগের সামনে দাঁড়িয়ে। বলা হচ্ছে, করোনাভাইরাসের কথা। চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস এরই মধ্যে ৫০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। ইতালির পর ফ্রান্সেও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ৬০ জন আক্রান্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন রয়েছে, যার কোনো করোনাভাইরাস আক্রান্ত এলাকা বা ব্যক্তির সংস্পর্শে যাওয়ার ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ ভাইরাসটি যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিটিতেই বিচরণ করছে। এ পরিস্থিতিতে নিজেদের প্রস্তুতি পুনর্মূল্যায়...

স্তন বা বক্ষযুগলের সৌন্দর্য পুনরায় ফিরিয়ে আনার অত্যন্ত কার্যকরী ৫টি উপায়!

বক্ষযুগলের সৌন্দর্য পুনরায় ফিরিয়ে আনার অত্যন্ত কার্যকরী ৫টি উপায়! স্ত’নের আকৃতি নষ্ট হয়ে যাওয়া বা স্ত’ন ঝুলে যাওয়া নারীদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর একটি সমস্যা। বয়স, ওজন, অসুখ, যত্নের অভাব, বাজে লাইফ স্টাইল ইত্যাদি নানান কারণেই স্ত’নের আকৃতি সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। যার কারণে দাম্পত্য জীবনেও দেখা দেয় নানা সমস্যা। স্ত’নের সৌন্দর্য ও শেপ নষ্ট হয়ে গেছে? ৫টি কৌশল আপনাকে ফিরিয়ে দেবে আপনার হারিয়ে ফেলা সৌন্দর্য। আবার নিয়ম করে মেনে চললে স্ত’নের শেপ নষ্ট হওয়াও প্রতিরোধ করবে। ১/ জাদুকরী ফল দেবে অ্যালোভেরা : এই জাদুকরী উপাদানটি ত্বক টান টান করে স্ত’নকে আবার উন্নত করে তুলতে খুবই কার্যকর। এর অ্যান্টি অক্সিডেনট উপাদান ভেতর থেকে আপনার স্ত’নকে সুন্দর করে তোলে। অ্যালোভেরা থেকে ভেতরের জেল জাতীয় উপাদান বের করে নিন। এই জেল স্ত’নে ম্যাসাজ করে করে মাখুন ১০ মিনিট। এরপর আরও ১০ মিনিট স্ত’নে এই জেল রাখুন। তারপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৪ থেকে ৫ বার করুন কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে। ২/ ওজনের খুব বেশী ওঠা নামা হতে দেবেন না : যাদের ওজন খুব বেশী ওঠা নামা করে, তাঁদের স্ত’ন খুবই দ্রুত শেপ হারিয়ে ঝুলে যায়। ওজনের খুব ব...

নাভি। মানবদেহে নাভির কাজ কী? নাভি দেখে ব্যক্তিত্ব চেনা...

ছবি
মানবদেহে নাভির কাজ কী? নাভি মানব দেহের বহিরাঙ্গের একটি বিশেষ স্থান। মাতৃগর্ভে থাকা কালে মানব ভ্রূণে যে নাড়ির মাধ্যমে মায়ের শরীর থেকে খাদ্য সংবাহিত হয় শিশুর জন্মকালে তা কেটে ফেলা হয় এবং একটি প্যাঁচ দিয়ে কাটা মুখ বন্ধ করা হয়। এই সুস্পষ্ট অংশটি মানবদেহের তলপেটের ঠিক ওপরে চিরকাল দৃশ্যমান থাকে এবং নাভি নামে আখ্যায়িত। চিকিৎসা শাস্ত্রে একে বলা হয় Umbilicus। সকল স্তন্যপায়ী প্রাণী যাদের জন্ম মাতৃ জরায়ুতে তাদের নাভী থাকে। শরীরের নানান সমস্যা দূর করতে আমাদের কতই না ওষুধের সাহায্য নিতে হয়। এ ছাড়াও যারা সুস্থ থাকতে চেষ্টা করেন, তারা যোগ ব্যায়াম, নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ইত্যাদি করেই থাকেন। কিন্তু আমরা বেমালুম ভুলে যাই নাভির কথা। অনেকের মনে প্রশ্ন, মানবদেহে নাভির কাজ কী? নাভি মানব দেহের বহিরাঙ্গের একটি বিশেষ স্থান। মাতৃগর্ভে থাকা কালে মানব ভ্রূণে যে নাড়ির মাধ্যমে মায়ের শরীর থেকে খাদ্য সংবাহিত হয় শিশুর জন্মকালে তা কেটে ফেলা হয়। তারপর একটি প্যাঁচ দিয়ে কাটা মুখ বন্ধ করা হয়। নাভি দেখে ব্যক্তিত্ব চেনা নাভির আকৃতি মানুষের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু ইঙ্গিত করে থাকে। আমাদের বাহ্যিক আচরণ এ...